Posts
একটি নারীই সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারেন ।।
- Get link
- X
- Other Apps
একটি নারীই সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারেন ।। গত কয়েক হাজার বছরের নেতৃত্বের ইতিহাস পরীক্ষা করলে দেখা যাবে যে নেতৃত্বের অধিকাংশ বিবরণই দেওয়া হয়েছে একটি পিতৃতান্ত্রিক সমাজের দৃষ্টিকোণ থেকে, যা গড়ে উঠেছে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী সাহিত্যের ভিত্তিতে। এই সময়কালেরও আগে পিছিয়ে যাওয়া যায়, তা হলে দেখা যাবে, পৌত্তলিক এবং ভূমিজ উপজাতিদের নেতা ছিলেন নারী। তবে একই সঙ্গে এটিও মনে রাখতে হবে যে একটি উপজাতির নিজস্ব চালচলন অন্য উপজাতির উপর আরোপ করা যাবে না, কারণ আধুনিক যুগেও আমাদের প্রথা ও রীতিনীতির মধ্যে অনেক ফারাক রয়েছে। বর্তমান দিনের পিতৃকুল-পরিচয়ধারী রীতিনীতি মানব ইতিহাসের খুবই সাম্প্রতিক উদ্ভাবন এবং আমাদের মূল পারিবারিক প্রথা মাতৃকুল-পরিচয়ধারীই ছিল (@ ডক্টর ক্রিস্টোফার শেলি ও বিয়াঙ্কা রুস, ইউবিসি)। বিশ্বের ৯০% দেশে যে মৌলিক ধারণাটি গড়ে উঠেছে তা হল পিতৃতন্ত্র মানুষ অর্থাৎ হোমো স্যাপিয়েন্সের 'স্বাভাবিক' জৈব প্রবণতা। দুর্ভাগ্যবশত এই বিশ্বাসের ফলে এই সবকটি দেশেই ব্যাপক হারে এবং বিভিন্ন মাত্রায় নারীর উপর নিপীড়ন শুরু হয়েছে। ( @ টমাস লেয়ার্ড, মাইকেল ভিক্টর রচিত হোল আর...
সনাতন ঋষি-মুনি, বেদ-উপনিষদ এবং এক মহৌষধী - "সোমরস" ।
- Get link
- X
- Other Apps
*সনাতন ঋষি-মুনি, বেদ-উপনিষদ এবং এক মহৌষধী - "সোমরস" ।* *প্রসূন কাঞ্জিলাল* প্রাচীনকালে অনেক ধার্মিক লোক ছিলেন ৷ তাদের মধ্যে অনেকে অরণ্যে বসে ঈশ্বরের তপস্যা করতেন৷ তাদের কোনো লোভ লালসা ছিল না ৷ তারা তপস্যার দ্বারা লোভ লালসা জয় করেছিলেন৷ ধর্ম সম্পর্কেও তাদের অনেক জ্ঞান ছিল৷ তাদের বলা হতো মুনি৷ যেসব ঊচ্চস্তরের মুনি তপস্যাবলে বেদমন্ত্র প্রকাশ করতে পারতেন তাঁদের বলা হতো ঋষি ৷ বেদের কবিতাগুলোকে বলা হয় মন্ত্র ৷ মুনি-ঋষিরা ছিলেন সেকালের শিক্ষক , জ্ঞান বিজ্ঞানের নানা বিষয়ের উদ্ভাবক ৷ কয়েকজন বিখ্যাত মুনি-ঋষি হলেন ---অত্রি, কশ্যপ, গৌতম, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র , কণ্ব , মৈত্রেয়ী,গার্গী প্রভৃৃৃৃতি৷ প্রাচীন প্রার্থনাগাথা বেদ-এর প্রাচীন ঋক থেকে (বেদপংক্তির যজ্ঞীয় ব্যবহার-বিষয়ক ব্রাহ্মণ ও অরণ্যচারীদের প্রয়োজনীয় বেদপংক্তি-সংকলন আরণ্যক হয়ে ) জ্ঞানান্বেষী উপনিষদ পর্যন্ত বিস্তৃত হিন্দুশাস্ত্ররাশির রচয়িতা বা দ্রষ্টা সকলে ঋষি বা ঋষিকা ব'লে পরিচিত ছিলেন। তৈত্তিরীয় আরণ্যক এ বলা হয়েছে :--- "তপ বা গভীর ধ্যানের সাহায্যে যারা বৈদিক মন্ত্রার্থ বুঝতে পারে তাদেরকে সর্বশক্তিমানের কৃপায় ঋষি বলা...
প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলিবিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম**প্রসূন কাঞ্জিলাল*
- Get link
- X
- Other Apps
*প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম* *প্রসূন কাঞ্জিলাল* "আমি চিরতরে দূরে চলে যাব তবু আমারে দেব না ভুলিতে।" না, ভুলতে দেননি তিনি । প্রেমে আর বিদ্রোহে, গানে আর কবিতায় তিনি বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ । বাঙালির চেতনায় মিশে আছেন কাজি নজরুল ইসলাম । তবু মাঝে মাঝে কেন জানি মনে হয়, 'কেউ ভোলে না, কেউ ভোলে' ! ''প্রাণ'-এর সঙ্গে নয়নমণি'র সম্মিলনে, 'জাতের নামে বজ্জাতি'র সমূল উৎপাটনে, 'দুস্তর পারাবার' পাড়ি দেবার দুর্বার শপথে নিয়ত পথ দেখান কাজি কবি। কাজী নজরুল :---- (১৮৯৯-১৯৭৬) বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। নজরুল ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাজারের খাদেম। নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। ১৯০৮ সালে পিতার মৃত্যু হলে নজরুল পরিবারের ভরণ-পোষণের জন্য হাজী পালোয়ানের মাজারের সেবক এবং মসজিদে মুয়াজ্জিনের কাজ করেন। তিনি গ্রামের মকতব থেকে নিম্...
কর্মতাপস আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় আদতে এক প্রফুল্ল স্মৃতি ।
- Get link
- X
- Other Apps
*কর্মতাপস আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় আদতে এক প্রফুল্ল স্মৃতি* *প্রসূন কাঞ্জিলাল ।* ১৮৮৮ সাল। জাহাজটা এসে কলকাতা বন্দরে থামতেই নেমেছিলেন এক যুবক যিনি ছ’বছর ‘এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে’ অধ্যয়ন করে সেখানকার ‘ডি.এস.সি.’ উপাধি লাভ করেছিলেন, আর সেখানে তাঁর প্রবন্ধ সর্বোৎকৃষ্ট বিবেচিত হওয়ার জন্য পঞ্চাশ পাউন্ডের একটা পুরস্কারও পেয়েছিলেন। সেই পুরস্কারের টাকাটা পুরোই লেগে গিয়েছিল জাহাজ ভাড়া ও প্রভৃতি খরচায়। তাই কলকাতায় পৌঁছেছিলেন একেবারে কপর্দকহীন অবস্থায়। জাহাজের কোষাধ্যক্ষের কাছে নিজের জিনিষপত্র জমা রেখে ধার করে নিয়েছিলেন আটটি টাকা৷ যুবকের পরণে ছিল সাহেবী পোষাক, কিন্তু সেই পোষাকে আত্মীয়স্বজনের কাছে যেতে তাঁর দ্বিধাবোধ হচ্ছিল। তাই জাহাজ থেকে নেমেই ছুটে গিয়েছিলেন বন্ধু ‘জগদীশচন্দ্র বসু’ র বাড়িতে। তাঁর কাছ থেকে ধুতি, পাঞ্জাবি প'রে তারপরে গিয়েছিলেন নিজের বাড়িতে। যুবকের নাম আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়। তখনকার দিনে বিলেতে পরীক...